পোস্টগুলি

সালাতুত তাসবীহ জীবনে একবার হলেও এ নামাজ পড়বেন।

সালাতুত তাসবীহ (আরবি: صلاة تسبيح ‎‎), তাসবীহের নামাজ নামেও পরিচিত। সালাত শব্দের অর্থ নামাজ। আর তাসবিহ বলতে ‘সুবাহানাল্লাহ, ওয়াল হামদুলিল্লাহ, ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার’ এ শব্দগুলো বোঝানো হয়েছে। যে নামাজে এসব তাসবীহ পড়ানো হয় তা সালাতুত তাসবীহ বা তাসবীহের নামাজ হিসেবে পরিচিত। ইসলামে অনুসারীদের জন্যে এটি একটি ঐচ্ছিক ইবাদত। এটা বাধ্যতামূলক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মতো নয়।  মহানবী(সাঃ) তার উম্মতদের এ নামাজ পালনে উৎসাহিত করছেন। জীবনে একবার হলেও মুসলমানরা যেনো এ নামাজ পড়ে সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন। রাসুল (সাঃ) তার চাচা হজরত আব্বাস (রাঃ)-কে বলেন, ‘চাচা, পারলে আপনি সালাতুল তাসবীহ নামাজ সপ্তাহে একবার, তাও না হলে মাসে একবার, তাও না পারলে বছরে একবার পড়বেন। তাতেও অক্ষম হলে অন্তত জীবনে একবার হলেও এ নামাজ পড়বেন। এ নামাজ দ্বারা জীবনের ছোট, বড়, স্বেচ্ছায়, অনিচ্ছায়, নতুন, পুরনো, গোপন, প্রকাশ্য সব রকম অপরাধ মাফ হয়ে যায়।’ সালাতুত তাসবীহ পড়ার নিয়মসুরা ফাতেহার সঙ্গে অন্য একটি সুরা মেলানোর পাশাপাশি প্রত্যেক রাকাআতে (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا ال...
আজ ১৪ মার্চ। ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময় একটি দিন। কারণ এই দিন একজন মহান বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের জন্ম হয়েছিল এবং এই দিনই এক মহান বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর মৃত্যু হয়েছিল। এই ১৪ মার্চ ১:৫৯ মিনিটকে π ডে মানা হয় আর π এর মান approximately equal to 3.14159 । এখন আমরা বলতে পারি মার্চ হচ্ছে বছরের 3rd Month, Date 14 আর Time 159 যা দাঁড়ায় 3.14159 ।

How to add a link to blog  text

To add a  link  to  blog  text: Open the  blog  post Editor. Highlight the the text that you want to  link . Click the  Link  icon. Select the  link  type. Enter the  link  details. Click OK.

Facebook এর কিছু প্রয়োজনীয় Link

ছবি
যেকোন সময় Birthday Change করার জন্য নিচের লিংকটি ব্যবহার করুন: How to change Birthday in Facebook (any time): https://www.facebook.com/help/contact/?id=177493942357554 Messenger সহ Facebook Account Parmanent Delete করার জন্য  নিচের লিংকটি ব্যবহার করুন: How to delete Facebook ID parmanentlly: https://www.facebook.com/help/delete_account

জাপানীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য

জাপানীরা ১৯৩৭ সালে নানকিং (এখন নানজিং) এ চাইনিজদের কচুকাটা করেছিলো। খুন -ধর্ষণ মিলিয়ে এমন নৃশংসতা কমই দেখেছে বিশ্ব। The flowers of war নামে একটি মর্মস্পর্শী মুভি আছে এই গণহত্যা নিয়ে। জাপানীরা এর আগে পরেও লাখে লাখে মরেছে-মেরেছে। শেষতক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জব্দ জাপান বাধ্য হয়েই রক্তের নেশা ছেড়ে জাতি গঠনে মনোযোগ দিয়েছিলো বলেই আজ তারা পৃথিবীর অন্যতম সভ্য জাতিতে পরিণত হতে পেরেছে। এই জাতি গঠনের পিছনে জাপানীরা চিরকৃতজ্ঞ কুষ্টিয়ায় জন্ম নেয়া একজন বাঙালির কাছে। মিত্রপক্ষের চাপ সত্বেও ইন্টারন্যাশনাল যুদ্ধাপরাধ টাইব্যুনালের 'টোকিও ট্রায়াল' ফেজে এই বাঙালি বিচারকের দৃঢ অবস্থানের কারণেই জাপান অনেক কম ক্ষতিপূরণের উপরে বেঁচে গিয়েছিলো। নয়তো যে ক্ষতিপূরণের বোঝা মিত্রপক্ষ ও অন্য বিচারকরা চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলেনন তার দায় এখন পর্যন্ত টানতে হতো জাপানকে। সেক্ষেত্রে ঋণের বোঝা টানতে টানতে জাতি গঠনের সুযোগই আর পাওয়া হতোনা জাপানের। সেসময়ই জাপানী সম্রাট হিরোহিতো কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেছিলেন, "যতদিন জাপান থাকবে বাঙালি খাদ্যাভাবে, অর্থকষ্টে মরবেনা। জাপান হবে বাঙালির চিরকালের নি:স্বার্থ বন্ধু।" এট...

"নীল দর্পণ" নাটকটি দেখতে এসে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কেন মঞ্চে জুতা ছুড়ে মেরেছিলেন?

ছবি
নীল দর্পণ নাটক বাংলার পেশাদার থিয়েটার গড়ার ক্ষেত্রেও অবদান রেখেছিল। এই নাটক দিয়ে প্রভাবিত হয়েই গীরিশচন্দ্র ঘোষ কোলকাতায় ন্যাশনাল থিয়েটার গঠন করেন এবং নীল দর্পণই প্রথম বানিজ্যিকভাবে প্রদর্শিত হয়। এই নাটকের প্রদর্শনীতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরও উপস্থিত ছিলেন দর্শক হিসাবে। আবেগী এবং মেজাজী লোক ছিলেন তিনি। সাহেব সুবোদের গ্রাহ্যের মধ্যেই নিতেন না। অপমানের প্রতিশোধ নেবার জন্য এক ইংরেজ অধ্যক্ষ্যের সামনে টেবিলে পা তুলে দিয়ে কথাও বলেছিলেন একবার। কারণ, ওই অধ্যক্ষ বৃটিশ হবার গরিমায় ঈশ্বরচন্দ্রের সাথে একই আচরণ করেছিলেন। নাটকের মূল চরিত্র উডের ভূমিকায় অভিনয় করছিলেন শক্তিমান অভিনেতা অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি। নীল চাষীদের উপর তাঁর অত্যাচারের অভিনয় দেখে বিদ্যাসাগর এতই ক্ষিপ্ত হয়ে ছিলেন যে, পায়ের জুতো খুলে ছুঁড়ে মেরেছিলেন অর্ধেন্দুর গায়ে। তিনিও তাঁর অভিনয়ের পুরস্কার হিসাবে সেই জুতোকে তুলে নিয়েছিলেন স্মারক হিসাবে। (Collected)

আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশন

ছবি
নিজ এলাকা  আক্কেলপুরের  পরিচয় দিতে গিয়ে দেখেছি ' আক্কেলপুর ' বলে যে একটা উপজেলা আছে অনেকে তা জানেই না। অনেককে জয়পুরহাট বলে চিনিয়ে দিতে হয় আবার অনেককে তো বলতে হয় বগুড়া(জয়পুরহাট)। কিন্তু অবাক হয়েছি যখন অনেককেই বলতে দেখেছি সান্তাহার, তিলকপুর,  আক্কেলপুর , জয়পুরহাট, পাঁচবিবি, হিলি এই নামগুলি একটার পর একটা বলতে। তারা আক্কেলপুরে কখনোই আসেননি কিন্তু  আক্কেলপুর রেলস্টেশন টি চেনেন। শুনে তখন খুব ভাল লাগে রেলপথের বদৌলতে ' আক্কেলপুর ' তারা মনে রেখেছেন। অনেকে হয়ত জানেনই না আমাদের  আক্কেলপুর রেলস্টেশন টি কতদিন আগের। যারা জানেননা তাদের উদ্দেশ্যে লিখছিঃ ব্রিটিস শাসনামলে  ১৮৮৪  সালের দিকে কলকাতা থেকে জলপাইগুরি পর্যন্ত (প্রায় ২৯৬ মাইল) একটি রেলপথ স্থাপন করা হয়। উঠানামার সুবিধার জন্য সেসময় ৫/৭ মাইল দূরে একটি করে রেলস্টেশন বসানো হয়। সান্তাহার, তিলকপুর, জাফরপুর,  আক্কেলপুর , জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট, পাঁচবিবি, বাগজানা, হিলি রেলস্টেশনগুলি ঠিক সেসময়েরই। (Collected)