আজ ১৪ মার্চ। ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময় একটি দিন। কারণ এই দিন একজন মহান বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের জন্ম হয়েছিল এবং এই দিনই এক মহান বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর মৃত্যু হয়েছিল। এই ১৪ মার্চ ১:৫৯ মিনিটকে π ডে মানা হয় আর π এর মান approximately equal to 3.14159 । এখন আমরা বলতে পারি মার্চ হচ্ছে বছরের 3rd Month, Date 14 আর Time 159 যা দাঁড়ায় 3.14159 ।
পোস্টগুলি
Facebook এর কিছু প্রয়োজনীয় Link
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
যেকোন সময় Birthday Change করার জন্য নিচের লিংকটি ব্যবহার করুন: How to change Birthday in Facebook (any time): https://www.facebook.com/help/contact/?id=177493942357554 Messenger সহ Facebook Account Parmanent Delete করার জন্য নিচের লিংকটি ব্যবহার করুন: How to delete Facebook ID parmanentlly: https://www.facebook.com/help/delete_account
জাপানীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
জাপানীরা ১৯৩৭ সালে নানকিং (এখন নানজিং) এ চাইনিজদের কচুকাটা করেছিলো। খুন -ধর্ষণ মিলিয়ে এমন নৃশংসতা কমই দেখেছে বিশ্ব। The flowers of war নামে একটি মর্মস্পর্শী মুভি আছে এই গণহত্যা নিয়ে। জাপানীরা এর আগে পরেও লাখে লাখে মরেছে-মেরেছে। শেষতক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জব্দ জাপান বাধ্য হয়েই রক্তের নেশা ছেড়ে জাতি গঠনে মনোযোগ দিয়েছিলো বলেই আজ তারা পৃথিবীর অন্যতম সভ্য জাতিতে পরিণত হতে পেরেছে। এই জাতি গঠনের পিছনে জাপানীরা চিরকৃতজ্ঞ কুষ্টিয়ায় জন্ম নেয়া একজন বাঙালির কাছে। মিত্রপক্ষের চাপ সত্বেও ইন্টারন্যাশনাল যুদ্ধাপরাধ টাইব্যুনালের 'টোকিও ট্রায়াল' ফেজে এই বাঙালি বিচারকের দৃঢ অবস্থানের কারণেই জাপান অনেক কম ক্ষতিপূরণের উপরে বেঁচে গিয়েছিলো। নয়তো যে ক্ষতিপূরণের বোঝা মিত্রপক্ষ ও অন্য বিচারকরা চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলেনন তার দায় এখন পর্যন্ত টানতে হতো জাপানকে। সেক্ষেত্রে ঋণের বোঝা টানতে টানতে জাতি গঠনের সুযোগই আর পাওয়া হতোনা জাপানের। সেসময়ই জাপানী সম্রাট হিরোহিতো কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেছিলেন, "যতদিন জাপান থাকবে বাঙালি খাদ্যাভাবে, অর্থকষ্টে মরবেনা। জাপান হবে বাঙালির চিরকালের নি:স্বার্থ বন্ধু।" এট...
"নীল দর্পণ" নাটকটি দেখতে এসে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কেন মঞ্চে জুতা ছুড়ে মেরেছিলেন?
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
নীল দর্পণ নাটক বাংলার পেশাদার থিয়েটার গড়ার ক্ষেত্রেও অবদান রেখেছিল। এই নাটক দিয়ে প্রভাবিত হয়েই গীরিশচন্দ্র ঘোষ কোলকাতায় ন্যাশনাল থিয়েটার গঠন করেন এবং নীল দর্পণই প্রথম বানিজ্যিকভাবে প্রদর্শিত হয়। এই নাটকের প্রদর্শনীতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরও উপস্থিত ছিলেন দর্শক হিসাবে। আবেগী এবং মেজাজী লোক ছিলেন তিনি। সাহেব সুবোদের গ্রাহ্যের মধ্যেই নিতেন না। অপমানের প্রতিশোধ নেবার জন্য এক ইংরেজ অধ্যক্ষ্যের সামনে টেবিলে পা তুলে দিয়ে কথাও বলেছিলেন একবার। কারণ, ওই অধ্যক্ষ বৃটিশ হবার গরিমায় ঈশ্বরচন্দ্রের সাথে একই আচরণ করেছিলেন। নাটকের মূল চরিত্র উডের ভূমিকায় অভিনয় করছিলেন শক্তিমান অভিনেতা অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি। নীল চাষীদের উপর তাঁর অত্যাচারের অভিনয় দেখে বিদ্যাসাগর এতই ক্ষিপ্ত হয়ে ছিলেন যে, পায়ের জুতো খুলে ছুঁড়ে মেরেছিলেন অর্ধেন্দুর গায়ে। তিনিও তাঁর অভিনয়ের পুরস্কার হিসাবে সেই জুতোকে তুলে নিয়েছিলেন স্মারক হিসাবে। (Collected)
আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশন
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
নিজ এলাকা আক্কেলপুরের পরিচয় দিতে গিয়ে দেখেছি ' আক্কেলপুর ' বলে যে একটা উপজেলা আছে অনেকে তা জানেই না। অনেককে জয়পুরহাট বলে চিনিয়ে দিতে হয় আবার অনেককে তো বলতে হয় বগুড়া(জয়পুরহাট)। কিন্তু অবাক হয়েছি যখন অনেককেই বলতে দেখেছি সান্তাহার, তিলকপুর, আক্কেলপুর , জয়পুরহাট, পাঁচবিবি, হিলি এই নামগুলি একটার পর একটা বলতে। তারা আক্কেলপুরে কখনোই আসেননি কিন্তু আক্কেলপুর রেলস্টেশন টি চেনেন। শুনে তখন খুব ভাল লাগে রেলপথের বদৌলতে ' আক্কেলপুর ' তারা মনে রেখেছেন। অনেকে হয়ত জানেনই না আমাদের আক্কেলপুর রেলস্টেশন টি কতদিন আগের। যারা জানেননা তাদের উদ্দেশ্যে লিখছিঃ ব্রিটিস শাসনামলে ১৮৮৪ সালের দিকে কলকাতা থেকে জলপাইগুরি পর্যন্ত (প্রায় ২৯৬ মাইল) একটি রেলপথ স্থাপন করা হয়। উঠানামার সুবিধার জন্য সেসময় ৫/৭ মাইল দূরে একটি করে রেলস্টেশন বসানো হয়। সান্তাহার, তিলকপুর, জাফরপুর, আক্কেলপুর , জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট, পাঁচবিবি, বাগজানা, হিলি রেলস্টেশনগুলি ঠিক সেসময়েরই। (Collected)
"মেহেদী হাসান" নামের অর্থ
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
মেহেদী এটি মূলত আরবি( ﻣَﻬْﺪِﻯّ ) শব্দের পরবর্তিত রূপ। আসল উচ্চারণ, ' মাহদী ।' অর্থ, হেদায়েত প্রাপ্ত, পথের সন্ধান প্রাপ্ত, সুপথ প্রাপ্ত। আর হাসান এটিও মূলত আরবি (ﺣَﺴَﻦْ ) শব্দ। অর্থ, সুন্দর, সুদর্শন, ভালো, চমৎকার, শুভ, মনোরম। মাহদী হাসান ( ﻣَﻬْﺪِﻯّ ﺣَﺴَﻦْ ) একত্রে করলে অর্থ দাঁড়ায়, "হেদায়েত প্রাপ্ত/ পথের সন্ধান প্রাপ্ত/ সুপথ প্রাপ্ত সুদর্শন ব্যক্তি।"